রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৭

যৌন মিলনে তৃপ্তি মেটে না ?? জেনে নিন সমাধান !

পুরুষের তুলনায় যৌন জীবনে নারীদের অসুখী হওয়ার হার অনেক বেশি। এমনকী নিজের ভালোবাসার পুরুষটির সঙ্গেও যৌন জীবন নিয়ে খুশি নন বহু নারী। মুখে প্রকাশ না করলেও মনের মধ্যে চাপা ক্ষোভ নিয়ে জীবন যাপন করেন টানা, মুখ ফুটে অনেকেই বলতে পারেন না যৌন জীবনে নিজের অতৃপ্তির কথা। কিন্তু এটা কেন? কেন বহু নারী রয়ে যান যৌন জীবনে অসুখী ও অতৃপ্ত?
১) ভুল ধারণা ও অজ্ঞতা: নারীদের যৌন জীবনে অসুখী রয়ে যাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে পর্যাপ্ত যৌন শিক্ষার অভাব। যৌনতা যে কেবল সন্তান উৎপাদনের মাধ্যম নয়, নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই একটি আনন্দের ব্যাপার, এই বিষয়টি সম্পর্কে আজও অজ্ঞ প্রচুর নারী। কী করতে হবে বা কীভাবে করলে আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে যৌন মিলন, সেটা জানা নেই বলে তাঁরা রয়ে যান অসুখী ও অতৃপ্ত।
২) নিজেকে বুঝতে না পারা: আসলে কী চাইছেন, তার শরীর কোন জিনিসে কীভাবে সাড়া দিচ্ছে, কোন অঙ্গগুলো যৌনতার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর বা নিজের শরীরের চাহিদাগুলো কী কী ইত্যাদি বিষয়ে অজ্ঞতা বা বুঝতে না পারাও যৌন জীবনে অসুখী হবার একটি বড় কারণ।
৩) কী চান সেটা বলতে না পারা: নিজেকে বুঝতে পারেন, নিজের চাহিদাও জানেন, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছেন না নিজের ভালো লাগা না লাগার কথা। নারীদের যৌন জীবনে অতৃপ্ত থাকার অন্তরালে এটা একটি বিশাল কারণ। এমনকি তিনি যে যৌন জীবনে সুখী নন, এটাও পুরুষ সঙ্গীকে মুখ ফুটে বলতে পারেন না অনেক নারী।
৪) লজ্জা ও সংকোচ: অনেক নারীই মনে করেন যে মেয়েদের যৌনতার কথা বলতে নেই, কিংবা মেয়েদের যৌনতার বিষয়টি নিয়ে কথা বল বা যৌন চাহিদা প্রদর্শন করার বিষয়টি খুবই লজ্জার। তাই মনের ইচ্ছা মনেই চেপে রাখেন তাঁরা।

মধু দিলে পুরুষের লিঙ্গ শক্ত,মোটা ও শক্তিশালী হয় কেন? কিভাবে লিঙ্গে মধু ব্যবহার করতে হয়…

মধু একটি খুব উপকারী খাদ্য, পন্য ও ঔষধ। জন্মের পর নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য চর্চা সহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক।
আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যার জনক নামে পরিচিত হিপ্পোক্রেটস শরীরের প্রদাহ ও সিফিলিস রোগের চিকিৎসায় মধু ব্যবহার করতেন বলে কথিত আছে। ২ হাজার বছর আগেও যখন চিকিৎসা বিজ্ঞান আজকের মতো এতটা উন্নত ছিল না, তখনও মানুষ জানত মধুর কি গুণ!
গ্রিক অ্যাথলেটরা অলিম্পিকে অংশ গ্রহণের আগে প্রচুর পরিমাণ মধু সেবন করত শক্তি বাড়ানোর জন্য। তাদের ধারণা ছিল, মধু খেলে তাদের পারফরমেন্সের উন্নতি হবে। কারণ মধুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ যা যকৃতে গ্রাইকোজেনের রিজার্ভ (যে ফর্মে গ্লুকোজ লিভারে সঞ্চিত হয়) গড়ে তোলে।
কিভাবে লিঙ্গে মধু ব্যবহার করতে হয়:
পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)। এবার দুই হাতে হালকা মধু লাগিয়ে নিন। আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়।
এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাত সঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোন ফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবে গোড়া থেকে আগার দিকে হাত চালাই)। আবার লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হস্তমৈতুন করবেন না, করলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে।

মাংস খেয়ে হলুদ হওয়া দাঁত ঝকঝকে সাদা করার কয়েকটি টিপস

ঈদুল আযহা দোরগোড়ায়। চারদিকে খুশির আমেজ। সেই সঙ্গে কোরবানি করার জন্য পশু কিনতে ব্যস্ত রয়েছে সবাই। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানি করবেন মুসলমানরা। আর তারপর মাংস খাওয়ার পালা। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে মাংস ভোজনও আনন্দের বিষয়।
সাধারণত মাংস খাওয়া কিংবা হাড় চিবানোর সুখ থেকে কেউ বঞ্চিত হতে চান না। এই সময় একটু অসতর্কতার কারণে দাঁতে সংক্রমণ হতে পারে, এমনকি দাঁত ভেঙেও যেতে পারে। এমন কিছু টিপস তুলে ধরা হলো যাতে এই ধরনের সমস্যা না হয়।
দাঁত ভেঙে যাওয়া: সাধারণত সুস্থ ও মজবুত দাঁত মাংস ও হাড় খাওয়ার পর দাঁতে চাপ সহ্য করতে পারে, তবে অবশ্যই এর একটা সীমা আছে। যে দাঁতে বড় গর্ত আছে, বড় ফিলিং করা দাঁত, রুটক্যানেল করা দাঁত দিয়ে মাংস হাড় না খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে রুটক্যানেল চিকিৎসা করা দাঁতে কৃত্রিম ক্যাপ বা ক্রাউন সংযোজন না করলে কোনো অবস্থাতেই সেই দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু খাওয়া উচিত হবে না। অনেকের দাঁত জন্মগত কারণেই গঠনগত দুর্বল থাকে, তাদের ক্ষেত্রে হাড় চিবানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
মাড়ির সমস্যা: অনেকের দাঁত ফাঁকা থাকে। বিশেষ করে বয়স্কদের এবং দাঁত ফেলে দিয়ে সেখানে কৃত্রিম দাঁত সংযোজন না করলে, মাংসের আশ সহজেই দাঁতের ফাঁকে ঢুকে যায়, আর একে সঠিক পদ্ধতিতে বের না করলে দ্রুত সেখানে সংক্রমণ হয়। প্রথমে মাড়ি ফুলে যায়, ব্যথা অনুভব হয়, ধীরে ধীরে দাঁত নড়তে শুরু করে। টুথ ব্রাশ সাধারণত এসব দাঁতের মধ্যবর্তী স্থান থেকে খাবার বের করতে পারে না। দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্থানে পরিষ্কারের কার্যকরী মাধ্যম হচ্ছে ডেন্টাল ফ্লস নামক বিশেষ ধরনের সুতা ব্যবহার যা এখন আমাদের দেশের বিভিন্ন দোকানে পাওয়া যায়। এ সুতা ব্যবহার না জানলে ইন্টারনেট বা আশপাশের চিকিৎসকের কাছ থেকে দেখে নেয়া সম্ভব। হাতের কাছে যা আছে যেমন পিন, ধাতব দণ্ড, অপরিষ্কার কাঠি ব্যবহারে জটিলতা বাড়তে পারে। দেশের কিছু কিছু দোকানে এখন ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ পাওয়া যায়। এমন ব্রাশ পেলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।
সমস্যা যাই হোক, ঈদের আগেই ডেন্টাল সার্জনের কাছে দাঁত ও মাড়ির সম্পর্কে জেনে নিন, বয়স চল্লিশ বছরের বেশি হলে নিজে বা চিকিৎসকের পরামর্শে রক্তের লিপিড প্রোপাইল দেখে নিন। সুন্দর ও সুস্থতায় কাটুক সবার ঈদ।

জিভের রঙ দেখে কি করে বুঝবেন আপনি কোন রোগে আক্রান্ত? জানুন সেই কৌশল

শরীর খারাপ হলে চিকিত্‍সকরা রোগীর জিভটা দেখেন। তার রঙ ও আকার দেখে শারীরিক সমস্যার কথা জানেন। কয়েক শতাব্দী পুরনো এই পন্থা আসলে চীনাদের চিকিৎসা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল। আপনারাও বাড়িতে বসেই শরীরে কোথায় সমস্যা তা জানতে পারেন নিজেদের জিভ দেখেই।
১) জিভের ওপর পাতলা সাদা আবরণ : জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রে শুরু। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।
২) মোটা সাদা আস্তরণ : এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন শরীরে কোথাও চোট রয়েছে অথবা ভেতরে ভেতর শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনও একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না।
৩) হলুদ আস্তরণ : মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে।
৪) উপরিভাগে লাল চাকা-চাকা চামড়া উঠে যাওয়া: এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে। চর্মরোগ, র‌্যাশ প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে। সুস্থ শরীরে জিভের স্বাভাবিক রং হাল্কা গোলাপি। এর অর্থ আপনার শরীরে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করছে।
এ বার দেখে নিন জিভের রং কী রকম হলে শরীরে কোথায় সমস্যা দেখা যায়।
১) ফ্যাকাশে : জিভের রং যদি ফ্যাকাশে হয়ে যায় বুঝতে হবে হজম ঠিক মতো হচ্ছে না। ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা লেগে রয়েছে। এর সঙ্গে যদি জিভ বার বার শুকিয়ে যায়, তা হলে তা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তার সঙ্গে ইনসমনিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে।
২) উজ্জ্বল লাল রং : এ রকম রং দেখলে বুঝবেন শরীরে কোথাও ইনফেকশন রয়েছে। প্রথমে জিভের ডগার দিকটাই লাল থাকবে। পরে তা পুরো জিভে ছড়িয়ে পড়বে।
৩) জিভের পাশে লাল রং : খুব মশলাযুক্ত খাবার খেলে, প্রতুর ফ্যাট জাতীয় এবং অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে এমন রং হয়। কোষ্ঠকাঠিণ্যের মতো সংস্যা থাকলেও জিভের রং এমন হয়।
৪) নীল রং : শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। যদি এমনটা দেখেন অবিলম্বে চিকিত্‍সকের কাছে যান। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে। তাই দেরি করা ঠিক নয়।
৫) কালো রং: সাধারণ কারও কারও জন্ম থেকেই এ রকম রং থাকতে পারে। তবে যদি হঠাত্‍ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে। তবে শুরু থেকেই এমনটা হবে না, প্রথমে হলুদ, তার পরে ব্রাউন, তার পর কালো রং হবে।
৬) হলুদ রং : জিভের রং সাধারণ এমন হয় না। যখন হবে, তখন বুঝবেন লিবারে বড় সংস্যা রয়েছে। সম্ভবত জন্ডিস হয়ে গিয়েছে। দেরি না করে ডাক্তারের পরাম৪শ নিন।
৭) পার্পল রং : দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে কোনও সমস্যা থাকলে জিভের রং পার্পল হতে শুরু করেন। এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন B-এর ভীষণ ঘাটতি রয়েছে। মনে রাখবেন, শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল জিভ। তবে আমরা অনেকেই এর খেয়াল রাখি না। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। রোজ সকালে দাঁত মাজার সময়ই জিভ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। সুস্থ থাকবেন।
Image result for Tongue

শসার তেতো অংশে লুকিয়ে আছে ভয়ংকর বিষ!



গরম পড়ছে। বাড়ছে শসার চাহিদা। কিন্তু এবার একটু বুঝেশুনে খান শসা। বলছেন চিকিৎসকরাই। শসা মানেই সহজে হজম। এটাই চলতি ধারণা। কিন্তু শসা থেকেই ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ! আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের নয়া গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই আশঙ্কার তথ্য। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, তেতো শসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভয়ংকর বিষ। যা থেকে হার্ট অ্যাটাক বা কিডনিও বিকল হতে পারে আপনার।
এ ছাড়াও বেশি শসা খেলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা হতে পারে। শরীরের ওজন অস্বাভাবিক কমে যেতে পারে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। শরীরে ভিটামিন সি এর আধিক্য কোষের ক্ষতি করে। শসায় পটাসিয়ামের পরিমাণও থাকে অনেকটাই বেশি। বেশি শসা শরীরে পটাসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা থেকে তলপেটে ব্যথা, পেটের রোগ, এবং কিডনিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শসায় পানির ভাগ প্রায় ৯০ শতাংশ। পানির পরিমাণ বাড়ালে শরীরে ভারসাম্য নষ্ট হয়। বিঘ্নিত হয় পাচন প্রক্রিয়া। তাই শসা খান পরিমিত। শসার তেতো অংশ অবশ্যই বাদ দিন।Image result for quqamber

শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০১৭

লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ এক নিমিষে!! জেনে নিন কিভাবে

সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর কোন তুলনাই হয়না। শরীরের কালো দাগ দূর থেকে থেকে শুরু করে ব্রণ কমানো কিংবা বলিরেখা নিয়ন্ত্রণ করা, সব কিছুই সম্ভব।
তাই বিস্তারিত জানতে দেখে নিন বিডি রমণীর আজকের আয়োজন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ কৌশল। তাহলে আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন?
১) লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে লেবু কার্যকর।
২) লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ ও দাগ দূর করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ব্রণ বা অ্যাকনে সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
৩) অ্যারোমাথেরাপির ক্ষেত্রেও লেবু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বয়সজনিত মুখের দাগ সারাতে লেবুর রস কার্যকর। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত কমে।
৪) হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা দূর করতে লেবু কার্যকর। হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুড়ো মিশিয়ে হাত পায়ে লাগান।
৫) ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সে ক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।
৬) ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকর। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সঙ্গে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।
৭) একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলা লেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৮) একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে রস বের করে নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণ ত্বককে আরো ফর্সা করবে।

ভুল করে” আবিষ্কৃত হলো নারীদের “আনন্দের” যে উপকরণ

দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক উদ্ভাবন আমরা ব্যবহার করি যা কিনা ভুল করে বা দুর্ঘটনাবশত আবিষ্কৃত হয়েছিল। এমন ভুল করে তৈরি করা উদ্ভাবনের মাঝে যুক্ত হলো আরেকটি জিনিস। “ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার” তৈরি করা হয়েছিল যৌনাঙ্গে ব্যথা এবং যৌন উত্তেজনার মাঝে সম্পর্ক আছে কিনা তা দেখা জন্য। এর পাশাপাশি এটাও দেখার জন্য যে নারীরা ভ্যাজাইনাল প্রেশার এবং পেইনের প্রতি সহ্যক্ষমতা
তৈরি করতে পারেন কিনা। কিন্তু গবেষণা চলাকালীন সময়ে দেখা যায়, এই ডিভাইসটি নারীদের যৌনতৃপ্তি দিতে সক্ষম।

জার্নাল অফ অ্যান্ড ম্যারিটাল থেরাপিতে বর্ণনা করা হয়, এই ডিভাইসে থাকে একটি বেলুন যা যোনিতে প্রবেশ করানো হয় এবং এরপর শরীরের তাপমাত্রার পানি দিয়ে একে ফুলিয়ে তোলা হয়, যাতে ভ্যাজাইনাল ওয়ালে চাপ পড়ে। ৪২ জন সুস্থ, গড়ে ২৪ বছর বয়সী নারীর ওপর এই পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে এই ডিভাইস প্রবেশ করানোর পর তা ফুলিয়ে তোলা হয়। এর চাপ অস্বস্তিকর মনে হলে একটি বোতাম টিপলে তা আবার পূর্বের অবস্থায় চলে যায়।
“ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার”
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদেরকে বেশকিছু ফিল্ম দেখতে দেওয়া হয়। এর মাঝে কিছু ছিলো পর্নোগ্রাফিক, কিছু ছিল খুবই সাধারণ ফিল্ম। নারীরা জানান, পর্নোগ্রাফিক মুভি দেখার সময়ে এই ডিভাইসের চাপ তাদের মাঝে বেশি পরিমানে যৌনতৃপ্তি তৈরি করে।
যৌনক্রিয়ার সময়ে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী ব্যথা পান বলে দেখা যায়। অন্যদিকে মাত্র ৭ শতাংশ পুরুষে তা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম হলো ডিসপ্যারেউনিয়া, শারীরিক এবং মানসিক বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে এর পেছনে। এই ব্যাপারটাই মূলত গবেষণাটির কেন্দ্র। যদিও গবেষণা থেকে অপ্রত্যাশিত কিছু ফলাফল পাওয়া গেছে, কিন্তু এটা সন্দেহাতিতভাবে বলা যায় যে যৌনক্রিয়ার সময়ে ব্যথার ব্যাপারে গবেষকদের আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে তা।
পুরো বগীতে মাত্র একটি মেয়েই এভাবে মালিকের পায়ের কাছে সীট ধরে পাঠাতেন বসে ছিল !!
কারণ সে কাজের মেয়ে !
আমরা এমন প্রায়ই দেখি গৃহকর্মীদের কপালে দূরপাল্লার একটি সীট কপালে জোটে না ।
টাকা মানুষের কাছে রক্তের ফোটা ?? কি অদ্ভুত ?? ভদ্র মহিলা তার সাথে ২১/ ২২ বছরের ছেলেকে নিয়ে গ্যাট হয়ে সীটে বসে আছেন আর পায়ের কাছে নিপীড়িত মানবতা !!
কিছু ই বলি নাই, শুধু বলেছি ২৭১ টাকা এতই বেশি ? অথচ সাজসজ্জা দেখে মনে হচ্ছে যথেষ্ট ধনী ।
আমার ফ্রেন্ড লিস্টে কি কেউ এমন আছেন যিনি ঘরে কাজ করা মেয়েটিকে সামান্য ভুলেই মারেন, খাবারে কাপড়ে কষ্ট দেন সেটা হলে সরি আমি আপনার বন্ধু লিস্টে থাকার যোগ্য নই।
গৃহ কর্মীর সাথে কিছু বৈষম্য থাকবেই, এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই ।
কিন্তু এতটা কেন ??
গৃহ কর্মীদের সাথে এসব অমানুষের মত আচরণ দেখলে আমার মাথাটা আওলাইয়া যায় ।Image may contain: one or more people and people sitting
ছবিটা আজ ময়মনসিংহ যাবার পথে আন্তঃনগর তিস্তা থেকে তোলা ।
আমার দু সীট সামনে ছিলেন তারা ।অনুমতি নিয়ে ছবিটা তুলিনি বলে ক্ষমা চাই ।
তবে ভদ্র মহিলার ছবি ক্রপ করে দিলাম যাতে চেনা না যায় ।
খুব মন খারাপ হয়েছে !
মানুষ আমরা মানুষ কেন নই ??????????

সপ্তাহে কতবার সহবাস করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? জেনে নিন ডাক্তারী পরামর্শ

সপ্তাহে কতবার সেক্স করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তে প্রকাশ হয়েছে একটি আর্টিকেল ।
সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে সব পুরুষেরা সপ্তাহে দুবার সেক্স করেছেন তাঁদের হার্ট যারা একবারও সেক্স করেন নি তাদের থেকে অনেকটা ভালো ।
তাই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রুখতে পুরুষদের সক্রিয় সেক্স লাইফ থাকা উচিত ।
আর আমরা সবাই জানি উচ্চ রক্তচাপ হার্টের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর । এছাড়াও স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা অনেকটা বেড়ে যায় । আর আমরা সবাই জানি সেক্সের থেকে ভালো স্ট্রেসবাস্টার আর কিছুই হতে পারে না ।

এছাড়াও নিয়মিত যৌন সম্ভোগ করলে আপনার ওজনও কমবে । এছাড়াও সেক্সের পর ঘুমও ভালো হয় । ফলে আপনার হার্ট ভালো থাকবে

পুরুষাঙ্গ ছোট? বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন? তাহলে এই ৩টি কাজ করুন পুরুষাঙ্গ বড় করে তুলুন

প্রতিদিন আমাদের সমাজে কত না নানান ঘটনা ঘটে জায় ঘটে যাওয়া সব গুলোর খবর কি আমরা জানতে পারি ?
ভিডিওটি দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন
আমরা আপনাদের সামনে অনেক মজার মজার ভিডিও তুলে ধরবো , আশা করি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন ,আমরা আপনাদের সামনে অনেক মজার মজার ভিডিও তুলে ধরবো ! আশা করি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন
ভিডিওটি দেখতে

Tips

১.কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে
ঠোটে ঘষুন ,
কালা দাগতো উঠবেই
সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব
আসবে ।
২.কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে
লেবুর
খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে
ঘষুন
।চলে যাবে ।
৩.ব্রনের উপর রসুনের
কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি
মিলিয়ে
গ্যারান্টি ।
৪.পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার
কাছে ঝামেলা লাগে ?
আরে আমি আছি না ?আজ থেকে
যখনই
আপেল
খাবেন তখনই আপেলের
খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন ।
ফর্সা হবে পরিস্কার হবে
৫.পায়ের গোড়ালী ফাটলে
,পেয়াজ
বেটে প্রলেপ দিন ।ক্রীম
কিংবা স্ক্রাব
এর ঝামেলায় যেতে হবেনা ।
৬.প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত
মাজেন
কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ
সৃষ্টি হয় ?ব্যাপার না
,নিঃশ্বাসের
দুর্গন্ধ
থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস
নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু
খান ।
অনেক কষ্ট করে তথ্যগুলো জোগাড়
করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা
লাইক
শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ
মরে যায় । তাই পেজটিকে জীবিত
রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার
করুন ।
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্ট
গুলো যদি আপনার ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যয় কমেন্ট
করে জানাবেন। আপনার
যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে G or N
(G=
good, N=nice ) লিখে কমেন্ট করবেন।
তাহলে আর ভাল পোষ্ট নিয়ে
হাজির
হব।